নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করে জয় হবে গরুর: দিলীপ

129

নিজস্ব প্রতিনিধি, খড়গপুর: যারা বিজ্ঞান বোঝেন না তাঁরা গরুও বোঝে না৷ তাই তাঁরা উলটোপালটা কথা বলে বেড়াচ্ছে৷ গো ভক্ষক বনাম গো রক্ষকের লড়াই চলছে৷ শেষমেশ গো রক্ষকরাই জিতবেন৷ এমনটাই দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷

খড়গপুরকে পাখির চোখ করে নির্বাচনে লড়ছে তৃণমূল৷ সেক্ষেত্রে বেশ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে বিজেপি৷ এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ জানান, তিনি লোকসভা ভোটে লড়ার সময় অনেকে বলতেন হেরে যাবেন৷ গণনার দিনও এই আশঙ্কা করেছিলেন অনেকে৷ শেষ পর্যন্ত বিজেপিই জয়ী হয়েছে৷তাঁর দাবি, উপনির্বাচনেও জয়ী হবে বিজেপি৷

রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘উনি খড়গপুরে গত চার মাস ধরে পড়ে থেকেও তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল মেটাতে পারেননি৷ প্রতিদিনই নিজেদের মধ্যে গোলমাল চলছে৷ তাঁর যুক্তি শুভেন্দু বাবু খড়গপুরে সময় না দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে সময় দিন৷ তা না হলে ওটাও হাতছাড়া হয়ে যাবে৷’’

প্রসঙ্গত, তিনি বলেন, ‘‘শ্রীকৃষ্ণ নিজে গরু চড়িয়েছেন, বাঁশি বাজিয়েছেন আর গ্রামবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। ভারতবর্ষ গো-পালকদের দেশ। ভারতবর্ষ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষির সঙ্গে গোপালন ও পশু পালন অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত। শ্রেষ্ঠ ধন হিসাবে গো-ধনের কথা বলা আছে শাস্ত্রে।’’

তাঁর আরও সংযোজন, গরুকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করা হয়। গোমূত্র থেকে ওষুধ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু অনেকে আছেন যাঁদের গরুর নাম শুনলেই গায়ে জ্বর আসে। গরুর প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি করা হচ্ছে। কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে গরুর মাংস খাচ্ছে অনেকেই।

কে কি খাবেন তা তাঁদের নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু তাঁরা বাড়িতে গিয়ে খেতে পারেন। রাস্তায় কেন? যার মা মারা যায় সেও গরুর দুধ খেয়ে বেঁচে থাকে। কিন্তু গরুকে হত্যা করা, তার মাংস খাওয়াকে সমাজবিরোধী কাজ হিসাবেই আমরা দেখি। সেটাই দেখা উচিত।

এরপরই তিনি দেশি এবং বিদেশি গরুর ফারাক বোঝাতে শুরু করেন৷ বলেন, ‘‘অনেকে বিদেশি গরু পোষেন। কিন্তু বিদেশি গরু গরুই নয়, একটা জন্তু মাত্র। ওই গরু হাম্বা করে ডাকেও না। যে গরু হাম্বা করে ডাকে না সেটা গরুই নয়। ওই গরুর দুধ থেকে কোনে ঔষধী গুণও পাওয়া যায় না। দেশি গরুর দুধে সোনা থাকে। সেজন্য দেশি গরুর দুধের রং সোনালী। বহু সাধু দেশি গরুর দুধ ও গঙ্গার জল খেয়েই বেঁচে রয়েছেন।’’

LEAVE A REPLY

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে