হলদিয়ায় নদীর পাড় থেকে ২ মহিলার দগ্ধ দেহ উদ্ধারের পাঁচদিন পর রহস্যভেদ করল পুলিশ

90

হলদিয়ায় নদীর পাড় থেকে ২ মহিলার দগ্ধ দেহ উদ্ধারের পাঁচদিন পর রহস্যভেদ করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, রীতিমতো পরিকল্পনামাফিক ডেকে নিয়ে গিয়েই সম্পর্কে মা-মেয়ে ওই ২ জনকে খুন করেছিল সাদ্দাম হোসেন নামে এক যুবক। অভিযুক্ত সাদ্দাম ও তার সাগরেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের।

একটি মেসেজ পার্লারের সূত্র ধরে রিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় সাদ্দামের। বিবাহিত সাদ্দাম পরিচয় লুকিয়েই রিয়ার সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে চললেও হঠাৎই সাদ্দামকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করে রিয়া ও রমাদেবী। তাঁদের থেকে রেহাই পেতেই খুনের ছক কষে সাদ্দাম। গোটা ঘটনায় তাঁর সঙ্গী ছিল শেখ মনজিল। পরিকল্পনামাফিক ১৭ ফেব্রুয়ারি এসকর্ট সাভির্সের সঙ্গে যুক্ত রিয়া ও রমাদেবীকে হলদিয়া ডেকে পাঠায় সাদ্দাম। দুর্গাচকের একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখানে মা-মেয়ের খাবারের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জীবিত অবস্থাতেই তাঁদের নিয়ে আসা হয় নদীর পাড়ে। জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের। ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে জোড়া দেহ জ্বলতে দেখে হলদিয়া থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। শুরু হয় তদন্ত।

হলদিয়াতে পুড়িয়ে মারা মা ও মেয়ের বাড়ি নিউবারাকপুরের নরেশ চন্দ্র সরনীতে।এই পুর সভার ১১ নং ওয়ার্ডে এই বাড়িতে তারা ভাড়া থাকত।স্থানীয় দের দাবী গত পড়শু পুলিশ এসে প্রথম ছবি দেখায়। তাতেই রহস্য ফাঁস হয়।

স্থানীয় রা জানিয়েছে বছর আড়াই এই বাড়িতে ভাড়ায় এসেছেন রমা দে। তার সঙ্গে থাকত মেয়ে রিয়া দে।মাও মেয়ের সঙ্গে এলাকার লোকের তেমন কোন যোগাযোগ ছিল না।বাজার ঘাটে যাতায়াতের সময় তাদের কে তার দেখেছে।তবে রমা ও রিয়ার ঘরে বাইরের ছেলে দের বেশ যাতায়াত ছিল।স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে রমার মেয়ে রিয়া অষ্টম শ্রেনীতে পড়ার সময় স্কুল থেকে টি সি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

বাইট…অমিতেশ বোস…স্থানীয় বাসিন্দা।

LEAVE A REPLY

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে